আসসালামুআলাইকুম, সবাই কেমন আছেন?
আজকে আপনারা এই ব্লগে জানতে পারবেন গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত ভ্রমন সম্পর্কে! তো ব্লগটি শুরু করা যাক।
গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত চট্রগ্রামের সীতাকুণ্ড অবস্থিত। এই ভ্রমনের গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত ছাড়াও আশে পাশে তিনটি দর্শনীয় স্থান ঘুড়েছি। তাদের মধ্যে গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত ছিল বৈচিত্র্যময় এক স্থান।
আজকে আপনারা এই ব্লগে জানতে পারবেন গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত ভ্রমন সম্পর্কে! তো ব্লগটি শুরু করা যাক।
গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত চট্রগ্রামের সীতাকুণ্ড অবস্থিত। এই ভ্রমনের গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত ছাড়াও আশে পাশে তিনটি দর্শনীয় স্থান ঘুড়েছি। তাদের মধ্যে গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত ছিল বৈচিত্র্যময় এক স্থান।
【ঢাকা থেকে সীতাকুণ্ড কিভাবে যাবেন? তা পূর্বের ব্লগে বলেছিলাম, চাইলে দেখে আসতে পারেন!】
১. গুলিয়াখালী সৈকতে কিভাবে যাবেন?
আমরা মূলত দুই দিনের টু্র প্লেন করেছি।মোট ৪টা দর্শনীয় স্থান ঘুরবো। আর এর মধ্যে গুলিয়াখালীতে যাওয়ার সময় নির্ধারণ করি বিকালে। তো আমরা শীতাকুন্ড বাজার স্টেশন থেকে সি এন জি রিজার্ভ করি ১৫০ টাকা। আর ব্যক্তিগত যানবাহন থাকলে তা দিয়ে যেতে পারবেন। যেমন: মোটরবাইক, প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস ইত্যাদি। তো আমরা প্রায় ৩০-৩৫ মিনিটের মধ্যে গুলিয়াখালী স্টেশন পৌঁছে যাই।
১.১ গুলিয়াখালী স্টেশন থেকে কিভাবে সৈকত যাবেন?
পরিবেশের জন্য রাস্তার পথ পাল্টে যায়। ২-৩ ভাবে গুলিয়াখালী সৈকত পৌঁছানো যায়।
প্রথমত: যদি বর্ষা সিজন হয়, তাহলে নৌকাপথে যেতে হবে। সে সময় কাঁদা ও পিছিল থাকে।
দ্বিতীয়ত: স্টেশন থেকে পায়ে হেটে যেতে পারেন। সে ক্ষেত্রে কাঁদা থাকতে পারে! আবার শুকনো মৌসুমে কাঁদা ছাড়াই হেটে সমুদ্র সৈকত পৌঁছাতে পারবেন।
আমরা ২০২১ অক্টোবরের প্রথম দিকে যাই। "আলহামদুলিল্লাহ্" আমরা পা হেটে কাঁদা বিহিন যেতে পেরেছি। Social Media মাধ্যমে কাঁদার বিষয়টি বেশ তোলপাড় হয়। এ বিষয়টা মাথায় রাখি। আমরা বেশ ভালো একটা Weather পাই। কিন্তু শুকনো মৌসুম থাকায় পানি ছিলো বেশ দূরে, আর আমরা বিকেল বেলা গুলিয়াখালী আসি। কারণ বিকেল বেলায় আপনার সুন্দর মুহুর্তগুলো ক্যামেরা বন্দি করার জন্য একটা ভালো সময়। এবং সীতাকুণ্ড ঘুড়তে আসলে অন্যান্য স্পর্ট ঘুড়ার ফাঁকে এই স্পর্টটি বিকাল বেলা ঘুড়তে আসলে আপনার ভালো সময় কাঁটবে।